নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের প্রাথমিক ভর্তি আবেদনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ সোমবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ফল প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে, চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীরা আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এ আবেদন চলবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও প্রযুক্তি সেন্টারের পরিচালক ড. বাবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম বর্ষ স্নাতক(সম্মান)/স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২১ এর জন্য প্রাথমিক আবেদনকারীর মধ্য হতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত আবেদনকারী নির্বাচন করা হয়। প্রথম পর্যায়ে প্রতিটি ইউনিটের বিভিন্ন শাখায় (বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা) চূড়ান্ত আবেদনের জন্য প্রয়ােজনীয় সংখ্যক আবেদনকারী নির্বাচনে ব্যবহৃত সর্বনিম্ন জিপিএ (এইচএসসি/সমমান) নিজে প্রদত্ত।
একই জিপিএ প্রাপ্ত একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, বি ইউনিটের বাণিজ্য শাখার সকল প্রাথমিক আবেদনকারী চূড়ান্ত আবেদনের জন্য নির্বাচিত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, তিনটি পর্যায়ে চূড়ান্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। যে কোন পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীকে অবশ্যই সেই পর্যায়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। পরবর্তীতে আবেদনের আর কোন সুযােগ থাকবে না।
বিভিন্ন পর্যায়ে চূৃড়ান্ত আবেদনের সময়সূচি
প্রথম পর্যায়: ২৩/০৩/২০২১ তারিখ দুপুর ১২টা হতে ২৭/০৩/২০২১ তারিখ বিকাল ৩টা
দ্বিতীয় পর্যায়: ২৭/০৩/২০২১ তারিখ রাত ৮টা হতে ২৯/০৩/২০২১ তারিখ বিকাল ৬টা
তৃতীয় পর্যায়: ২৯/০৩/২০২১ তারিখ রাত ১০টা হতে ৩১/০৩/২০২১ তারিখ রাত ১২টা
এর আগে দুপুরে ড. বাবুল ইসলাম বলেন, আজ রাতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। পরবর্তী ২৩ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া তিন ধাপের এই চূড়ান্ত আবেদন চলবে ৩১ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত।
তিনি আরও জানান, তালিকায় থাকা ১ লাখ ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে আবেদন করতে পারবে। যা চলবে ২৩ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আবেদন পূর্ণ না হলে দ্বিতীয় ধাপে তথা ২৮ থেকে ২৯ মার্চে তালিকায় থাকা পরবর্তী ধাপের শিক্ষার্থীরা আবেদন করার সুযোগ পাবে। একইভাবে শেষ ধাপ তথা ৩০ থেকে ৩১ মার্চ তালিকার আরো পিছনে থাকা ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে বলে জানান তিনি।
তিন ধাপে কেন আবেদন প্রক্রিয়া চলবে, এমন প্রশ্নের জবাবে পরিচালক বলেন, একধাপে এই ভর্তি আবেদন পরিচালনা করলে অনেক সময় নির্ধারিত আবেদন পূর্ণ হয় না। কেননা বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ থাকায় প্রাথমিক আবেদনে একই শিক্ষার্থী বিভিন্ন ইউনিটে আবেদন করে থাকে এবং যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে একাধিক ইউনিটে তারা আবেদনের সুযোগ পায়। কিন্তু প্রাথমিক আবেদনে একাধিক ইউনিট পছন্দ করলেও পরে অনেকে চূড়ান্ত আবেদন করে না। আবার অনেকে প্রাথমিক আবেদন করলেও চূড়ান্ত আবেদন করে না। ফলে নির্ধারিত আবেদন সংখ্যা অপূর্ণ থেকে যায়।
মূলত এ সমস্যা সমাধানের জন্যই তিন ধাপে চলবে চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রত্যেক আবেদনকারীকে অবশ্যই প্রত্যেক ধাপের নির্ধারিত সময়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিন ধাপে চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া থাকার ফলে তালিকায় প্রথম ১ লাখ ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর পিছনে থাকা শিক্ষার্থীরাও আবেদনের সুযোগ পেতে পারে বলে জানান ড. বাবুল ইসলাম।
Discussion about this post