শিক্ষার আলো ডেস্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিওরোসায়েন্স রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে ‘ব্রেইন ডিজেস: বাংলাদেশ পার্সপেক্টিভ’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নিওরোসায়েন্স বিষয়ক চিকিৎসা ও গবেষণায় অবদানের জন্য ৫ জন নিওরোসায়েন্টিস্টকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
শনিবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামালউদ্দিন আহমদ লেকচার গ্যালারিতে সিম্পোজিয়ামে তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নিওরোসায়েন্টিস্টদের সম্মাননা প্রদান ও সিম্পোজিয়ামটি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সম্মাননাপ্রাপ্ত নিওরোসায়েন্টিস্টদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নিওরোসায়েন্স একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তথ্য-প্রযুক্তি ও সামাজিক মাধ্যমের লাগামহীন ব্যবহারের ফলে মানুষের মধ্যে বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে মানসিক ভারসাম্যহীনতা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। একারণে সমাজে নানাবিধ বিশৃঙ্খলা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়ন ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সিম্পোজিয়ামে বিশ্ববিদ্যালয় নিওরোসায়েন্স রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসান এবং প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক ।
সম্মাননাপ্রাপ্ত গবেষকরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিওরোসায়েন্স রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. খলিলুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক নিওরোলজি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ডা. শাহীন আখতার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিওরোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মনসুর হাবিব, শহীদ শেখ আবু নাসের স্পেশালাইজড হসপিটালের নিওরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. আব্দুস সালাম এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিওরোসায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এম এম তৌহিদুল ইসলাম ।
Discussion about this post